কলিং বেল শুনতে পান না? ৮টি সহজ সমাধান

লিখেছেন Qoorbell টিম

কলিং বেল শুনতে পান না? ৮টি সহজ সমাধান

ছাদে, রান্নাঘরে বা ওপরতলায় থাকলে যদি কলিং বেল শুনতে না পান, তাহলে বেলের আওয়াজকে আপনার কাছে নিয়ে আসুন: যে বেল লাগানো আছে সেটির পুরো সুবিধা নিন, যেখানে বেশি সময় কাটান সেখানে একটি রিসিভার রাখুন, অথবা এমন ব্যবস্থা করুন যাতে দরজায় কেউ এলে আপনার ফোন বেজে ওঠে। এর বেশিরভাগ সমাধানের খরচ শূন্য থেকে প্রায় ৫,০০০ টাকার মধ্যে।

নিচের টেবিলে আপনার অবস্থা খুঁজে নিন, তারপর খরচ অনুযায়ী সাজানো ৮টি সমাধান একে একে দেখুন। বেল শুনতে না পাওয়ায় যদি এরই মধ্যে কোনো পার্সেল হাতছাড়া হয়ে থাকে, দেখে নিন ডেলিভারিম্যান বেল না বাজালে কী করবেন।

কলিং বেল শুনতে না পেলে আপনি কোথায় থাকেন?

আপনি কোথায়কেন শুনতে পান নাসেরা সমাধান (নম্বর)
উঠান, বাগান বা বারান্দাবেল বাজে ঘরের ভেতরে, বন্ধ দরজার আড়ালে।৩, ৫, ৭
গ্যারেজ বা ওয়ার্কশপযন্ত্রপাতি বা গাড়ির ইঞ্জিনের শব্দ, আর আপনার ও বেলের মাঝে ভারী দরজা বা শাটার।৩, ৫, ৮
ছাদঢালাই করা ছাদ আর পাকা দেয়াল শব্দ ও ওয়্যারলেস সিগন্যাল, দুটোই আটকে দেয়।২, ৩, ৬
ওপরতলা বা পেছনের ঘরবেল বাজে নিচে বা মূল দরজার কাছে, আর একটা বন্ধ দরজাই আওয়াজ আটকাতে যথেষ্ট।১, ২, ৫
বাথরুম, ব্লেন্ডার বা হেডফোনশব্দে বেলের আওয়াজ চাপা পড়ে যায়, কিংবা আপনার কান ঢাকা থাকে।৩, ৪, ৭
কানে কম শোনাতীক্ষ্ণ, উঁচু সুর প্রায়ই শোনা সবচেয়ে কঠিন, আর এক ঘরে একটিমাত্র বেল সহজেই কানে আসে না।৮, ৭, ৩

৮টি সমাধান, ফ্রি থেকে প্রায় ৫,০০০ টাকা

দামগুলো আনুমানিক, আর দোকান ও দেশভেদে প্রায়ই বদলায়।

১. যে বেল আছে সেটি পরীক্ষা করুন

খরচ: শূন্য · সময়: ১০ মিনিট · কার জন্য: যে বেলের আওয়াজ আগের চেয়ে কমে গেছে

তারের বেশিরভাগ যান্ত্রিক "ডিং-ডং" বেলে আওয়াজ কমানো-বাড়ানোর ব্যবস্থা থাকে না: একটি ছোট হাতুড়ি ধাতব পাতে আঘাত করে, আর আওয়াজ এর চেয়ে জোরে হয় না। দেখুন কোনো কিছু পাতগুলো ছুঁয়ে আছে কি না বা বেলটি কিছুতে ঢাকা পড়েছে কি না। গুনগুন শব্দ বা দুর্বল আওয়াজের মানে হতে পারে বেলটি ক্ষয়ে গেছে, অথবা আপনার বেলে ট্রান্সফরমার থাকলে সেটি দুর্বল।

ওয়্যারলেস ও ইলেকট্রনিক বেলে সাধারণত ভলিউম বোতাম আর কয়েকটি সুর থাকে, তাই লম্বা একটি সুর বেছে নিন আর ভলিউম বাড়িয়ে রাখুন। বাইরের বোতামের ব্যাটারি দুর্বল হলে রেঞ্জও কমে যায়, তাই সেটি বদলে ফেলুন।

২. রিসিভারের জায়গা বদলান বা পথ ফাঁকা করুন

খরচ: শূন্য · সময়: ১৫ মিনিট · কার জন্য: যে ওয়্যারলেস বেল কখনো বাজে, কখনো বাজে না

সকেটে লাগানো রিসিভার বাসার মাঝামাঝি কোনো সকেটে সবচেয়ে ভালো কাজ করে, আলমারির ভেতরে নয় আর ফ্রিজের মতো ধাতব যন্ত্র থেকে দূরে। যেখানে প্রায়ই বেল শুনতে পান না, সেদিকে এটি সরিয়ে নিন, যেমন রান্নাঘর বা পেছনের দরজার কাছে। বোতাম আর রিসিভারের মাঝের প্রতিটি দেয়াল রেঞ্জ কমিয়ে দেয়।

বেল যদি মাঝে মাঝে বাজে, তাহলে আপনার সেটে ব্যবস্থা থাকলে চ্যানেল বা কোড বদলে দিন। তারের বেলের ক্ষেত্রে ফ্রি সমাধান হলো শব্দকে পথ করে দেওয়া: করিডর বা সিঁড়ির দরজা খোলা রাখুন।

৩. QR ডোরবেল দিয়ে আপনার ফোন বাজান

খরচ: শূন্য (ফ্রি প্ল্যান) · সময়: প্রায় ৫ মিনিট · কার জন্য: ছাদ, উঠান, গ্যারেজ আর হেডফোন

এই সমাধান ঘরের বেলকে পাশ কাটিয়ে সরাসরি আপনার ফোন বাজায়। Qoorbell দিয়ে আপনি অ্যাপে বা ওয়েবে প্রায় ৩০ সেকেন্ডে একটি ডোরবেল তৈরি করেন, এর বানানো পোস্টারটি প্রিন্ট করেন আর বর্তমান কলিং বেলের বোতামের পাশে লাগিয়ে দেন। অতিথি নিজের ফোনের ক্যামেরা দিয়ে QR কোড স্ক্যান করেন, ব্রাউজারে একটি পেজ খোলে (কোনো অ্যাপ বা অ্যাকাউন্ট লাগে না), আর আপনার ফোনে ভিডিও কল বা চ্যাটের রিং বাজে। কলটি হয় অতিথির নিজের মোবাইল ডেটায়, আর তিনি কখনো আপনার নম্বর দেখতে পান না।

আপনি যেখানে, ফোনও সেখানে: ছাদে, উঠানে, গ্যারেজে বা অফিসে, শুধু ফোনে ইন্টারনেট থাকলেই হলো। পরিবারের সবার সঙ্গে ডোরবেলটি শেয়ার করুন, তাহলে একসঙ্গে কয়েকটি ফোন বাজবে। ফ্রি প্ল্যানে ভিডিও কলের সময় সীমিত আর বিজ্ঞাপন থাকে; ঐচ্ছিক পেইড প্ল্যানে দীর্ঘ কল আর কিছু বাড়তি সুবিধা মেলে। আপনার ফ্রি ডোরবেল তৈরি করুন আর পুরোনো বেলটিও পাশে থাকুক।

৪. আপনার স্মার্ট ডোরবেলের অ্যালার্ট পরীক্ষা করুন

খরচ: আগে থেকে থাকলে শূন্য · সময়: ৫ মিনিট · কার জন্য: যে বাসায় ভিডিও ডোরবেল আছে

ভিডিও ডোরবেল থাকলে দুর্বল জায়গাটি প্রায়ই আপনার ফোন। দেখুন এর অ্যাপের নোটিফিকেশন পাঠানোর অনুমতি আছে কি না, "ডু নট ডিস্টার্ব" মোড সেগুলো চুপ করিয়ে রাখছে কি না, আর অ্যালার্টের শব্দ আলাদা করে চেনা যায় কি না। অনেক সিস্টেম একটি বাড়তি চাইম বা স্মার্ট স্পিকারও বাজাতে পারে।

নতুন কেনার কথা ভাবলে মনে রাখুন, বেশিরভাগের জন্য দরজায় ভালো ওয়াইফাই সিগন্যাল লাগে, আর রেকর্ডিংয়ের জন্য প্রায়ই মাসিক প্ল্যানও লাগে। আগে মাসিক ফি ছাড়া ভিডিও ডোরবেলের বিকল্পগুলো তুলনা করে দেখুন।

৫. সকেটে লাগানো চাইম রিসিভার যোগ করুন

খরচ: প্রায় ১,০০০–৩,০০০ টাকা · সময়: ৫ মিনিট · কার জন্য: সকেট আছে এমন গ্যারেজ, পেছনের ঘর বা বারান্দা

ওয়্যারলেস ডোরবেলের সেটে থাকে ব্যাটারিচালিত একটি বোতাম আর যেকোনো সকেটে লাগানো যায় এমন একটি রিসিভার। অনেক সেটে দুটি রিসিভার থাকে, তাই একটি গ্যারেজে আর আরেকটি বারান্দার দরজার পাশে রাখা যায়। বেশিরভাগেই ভলিউম বাড়ানো-কমানো যায় আর কয়েকটি সুর থাকে, আর কিছু মডেলে আলোও জ্বলে-নেভে।

তবে খেয়াল রাখুন: বাড়তি রিসিভার সাধারণত একই ব্র্যান্ডের বোতামের সঙ্গেই জোড়া লাগে, আর এক্সটেন্ডার ছাড়া তারের কলিং বেলের রিং ধরতে পারে না (সমাধান ৬)। কী দেখে কিনবেন, তা জানাবে আমাদের ওয়্যারলেস ডোরবেল কেনার গাইড।

৬. ডোরবেল এক্সটেন্ডার বা তারের দ্বিতীয় বেল লাগান

খরচ: প্রায় ৫০০–৫,০০০ টাকা · সময়: ১৫ মিনিট, তার টানতে হলে বেশি · কার জন্য: তারের কলিং বেলটি রেখে দিতে চাইলে

ডোরবেল এক্সটেন্ডার আপনার তারের বোতামটি যেমন আছে তেমনই রাখে, আর প্রতিটি রিং এক বা একাধিক ওয়্যারলেস রিসিভারে পৌঁছে দেয়। এর ট্রান্সমিটার হয় বেলের তারের সঙ্গে যুক্ত হয়, নয়তো বেলের পাশে বসে তার আওয়াজ শোনে। আগে কোন কোন মডেলের সঙ্গে মেলে, সেই তালিকা দেখে নিন, বিশেষ করে যদি একই তারে কোনো ভিডিও ডোরবেলও চলে।

এক্সটেন্ডারের দাম প্রায় ২,০০০–৫,০০০ টাকা। তারের একটি সাধারণ দ্বিতীয় বেলের দাম প্রায় ৫০০–১,৫০০ টাকা, তবে এর জন্য বর্তমান বেল (বা ট্রান্সফরমার থাকলে সেটি) থেকে নতুন তার টানতে হয়, আর দুটি বেলের জন্য আরও শক্তিশালী ট্রান্সফরমার লাগতে পারে। বিদ্যুতের তারের কাজে অভিজ্ঞতা না থাকলে, বিশেষ করে আপনার বেল যদি সরাসরি বাসার মূল বিদ্যুৎ লাইনে চলে, ইলেকট্রিশিয়ানের খরচও হিসাবে রাখুন।

৭. পোর্টেবল রিসিভার সঙ্গে রাখুন

খরচ: প্রায় ১,০০০–৪,০০০ টাকা · সময়: ৫ মিনিট · কার জন্য: বাসা, ছাদ আর উঠানে যাঁরা ঘোরাফেরা করেন

পোর্টেবল রিসিভার হলো ব্যাটারিচালিত বা রিচার্জেবল একটি বেল, যা আপনি এক ঘর থেকে আরেক ঘরে নিয়ে যেতে পারেন, ছাদ বা বারান্দায় রাখতে পারেন, কিংবা কিছু মডেলে বেল্টে আটকে রাখতে পারেন। কিছু মডেল ভাইব্রেটও করে বা আলো জ্বালায়, যা হেডফোন পরা অবস্থায় কাজে দেয়। রিচার্জেবলগুলো সাধারণত USB দিয়ে চার্জ হয়।

এটিকে মানানসই কোনো বোতাম বা এক্সটেন্ডারের সঙ্গে জোড়া লাগাতে হয়, আর কয়েকটি দেয়ালের আড়ালে বা লম্বা উঠানের শেষ মাথায় রেঞ্জ কমে যায়, তাই আগে পরীক্ষা করে নিন।

৮. জোরালো বেল বা ফ্ল্যাশ লাইট লাগান

খরচ: প্রায় ১,৫০০–৫,০০০ টাকা · সময়: ১০–৩০ মিনিট · কার জন্য: গ্যারেজ, ওয়ার্কশপ আর যাঁরা কানে কম শোনেন

শব্দবহুল জায়গার জন্য এমন রিসিভার বেছে নিন যা জোরালো হিসেবে বিক্রি হয় (অনেক মডেল সর্বোচ্চ সেটিংয়ে প্রায় ১০০–১১০ dB পর্যন্ত লেখে), অথবা এমন একটি যার স্ট্রোব লাইট প্রতিটি রিংয়ে উজ্জ্বল আলো জ্বালায়, যাতে ড্রিল মেশিন, ব্লেন্ডার বা টিভির শব্দের মধ্যেও টের পান। কানে কম শোনেন এমন মানুষের জন্য ফ্ল্যাশ লাইটওয়ালা রিসিভার একটি প্রচলিত পছন্দ।

বাইরের বোতাম সাধারণত বৃষ্টি সইতে পারে, কিন্তু রিসিভার প্রায়ই পারে না, তাই সেটি শুকনো জায়গায় রাখুন। অন্য যেকোনো রিসিভারের মতো এটিরও মানানসই বোতাম বা এক্সটেন্ডার লাগে।

এক নজরে তুলনা

সমাধানখরচছাদে বা উঠানে কাজ করে?ওয়াইফাই লাগে?লাগানোর কাজ আছে?
১. বেল পরীক্ষাশূন্যকদাচিৎনানা
২. রিসিভার সরানোশূন্যমাঝে মাঝেনানা
৩. ফোনে QR ডোরবেলশূন্য (ফ্রি প্ল্যান)হ্যাঁ, ফোনে ইন্টারনেট থাকলে যেকোনো জায়গায়না; ফোনে মোবাইল ডেটা বা ওয়াইফাই লাগেনা, শুধু প্রিন্ট করা পোস্টার
৪. স্মার্ট ডোরবেলের অ্যালার্টআগে থেকে থাকলে শূন্যহ্যাঁ, ফোনেহ্যাঁ, দরজায়আগেই লাগানো
৫. সকেটের রিসিভারপ্রায় ১,০০০–৩,০০০ টাকাহ্যাঁ, সকেটের কাছেনানা, শুধু প্লাগ লাগান
৬. এক্সটেন্ডার বা দ্বিতীয় বেলপ্রায় ৫০০–৫,০০০ টাকাহ্যাঁ, রেঞ্জের মধ্যেনাসামান্য (এক্সটেন্ডার) বা তার টানা (বেল)
৭. পোর্টেবল রিসিভারপ্রায় ১,০০০–৪,০০০ টাকাহ্যাঁ, রেঞ্জের মধ্যেনানা
৮. জোরালো বেল বা ফ্ল্যাশ লাইটপ্রায় ১,৫০০–৫,০০০ টাকাহ্যাঁ, এর জন্যই তৈরিনাসামান্য

ফ্রি ফোন অপশনটি ৫ মিনিটে যেভাবে চালু করবেন

  1. ডোরবেল তৈরি করুন। Qoorbell অ্যাপে বা ওয়েবে করুন; প্রায় ৩০ সেকেন্ড লাগে।
  2. পোস্টার প্রিন্ট করুন। এতে আপনার QR কোড থাকে। বৃষ্টির পানি লাগার সম্ভাবনা থাকলে প্লাস্টিকের খামে ভরে রাখুন।
  3. বর্তমান কলিং বেলের বোতামের পাশে লাগান। চোখের উচ্চতায়, দরজায় বা গেটে লাগান, যাতে "বেল বাজাতে স্ক্যান করুন" লেখাটি পরিষ্কার দেখা যায়।
  4. অ্যাপ ইনস্টল করে নোটিফিকেশনের অনুমতি দিন। Android বা iPhone-এ ডাউনলোড করুন আর নোটিফিকেশনে "হ্যাঁ" দিন, যাতে রিং আপনার কাছে পৌঁছায়।
  5. পরিবারের সঙ্গে শেয়ার করুন। যাঁদের সঙ্গে থাকেন তাঁদের আমন্ত্রণ জানান, যাতে সবার ফোন বাজে। তারপর ছাদে গিয়ে কাউকে পোস্টারটি স্ক্যান করতে বলে পরীক্ষা করে দেখুন।

এটি পুরোনো বেলের বদলি নয়, বরং সঙ্গী: যে কেউ বোতাম চাপলে পুরোনো বেল আগের মতোই বাজবে।

কখন ফোন অপশনটি ঠিক সমাধান নয়

  • অতিথির কাছে ফোন থাকতে হবে, আর পোস্টারটি তাঁর চোখে পড়তে হবে। ক্যামেরা ও ইন্টারনেটসহ স্মার্টফোন ছাড়া তিনি এভাবে বেল বাজাতে পারবেন না।
  • তাড়াহুড়োয় থাকা ডেলিভারিম্যানরা বোতাম চাপেন বা দরজায় টোকা দেন। অনেক ডেলিভারিম্যান আর বয়স্ক অতিথি এখনো তা-ই করেন, সে কারণেই পোস্টারটি আপনার কলিং বেলের পাশে লাগানো হয়, তার জায়গায় নয়।
  • আপনার ফোনে ইন্টারনেট আর সাউন্ড চালু থাকতে হবে। সাইলেন্ট বা "ডু নট ডিস্টার্ব" মোডে রিং আপনার ফোনের নিজস্ব সেটিং মেনেই বাজবে।
  • এটি আপনার দরজায় নজর রাখে না। দরজায় কোনো ক্যামেরা নেই, আর কেউ বেল না বাজালে কিছুই রেকর্ড হয় না। পার্সেল রেখে যাওয়ার ভিডিও চাইলে আপনার একটি ক্যামেরা লাগবে।

সাধারণ জিজ্ঞাসা

আমার বর্তমান কলিং বেলের আওয়াজ কি বাড়ানো যায়?

ওয়্যারলেস ও ইলেকট্রনিক বেলে সাধারণত ভলিউম সেটিং আর কয়েকটি সুর থাকে। তারের বেশিরভাগ যান্ত্রিক বেলে ভলিউম কন্ট্রোল থাকে না, তাই বরং আওয়াজটাকে কাছে নিয়ে আসুন: বাড়তি রিসিভার, এক্সটেন্ডার বা দ্বিতীয় বেল দিয়ে।

ডোরবেল এক্সটেন্ডার কী, আর এটি কি তারের কলিং বেলের সঙ্গে কাজ করে?

এটি একটি ছোট ওয়্যারলেস ট্রান্সমিটার, যা আপনার কলিং বেলের রিং বাসার অন্য জায়গায় রাখা সকেটের বা পোর্টেবল রিসিভারে পৌঁছে দেয়। এটি তৈরিই হয়েছে তারের বেলের জন্য: ট্রান্সমিটার হয় বেলের তারের সঙ্গে যুক্ত হয়, নয়তো বেলের পাশে বসে তার আওয়াজ শোনে। কেনার আগে দেখে নিন আপনার ধরনের বেলের সঙ্গে এটি চলে কি না।

ওয়্যারলেস ডোরবেলের রেঞ্জ কতদূর?

প্যাকেটে সাধারণত প্রায় ৩০ থেকে ৩০০ মিটার লেখা থাকে, যা খোলা জায়গায় মাপা। প্রতিটি দেয়াল বা ফ্লোর এটি কমিয়ে দেয়, আর ইট, কংক্রিট ও ধাতু আরও অনেক বেশি; একটি প্রচলিত হিসাব হলো প্রতিটি সাধারণ দেয়ালে প্রায় ২০% রেঞ্জ কমে। আপনার যতটা দূরত্ব দরকার, তার চেয়ে অনেক বেশি রেঞ্জের মডেল বেছে নিন।

স্মার্ট ডোরবেল ছাড়াই দরজায় কেউ এলে কি আমার ফোন বাজতে পারে?

হ্যাঁ। QR ডোরবেলে দরজায় কোনো যন্ত্রই বসাতে হয় না: অতিথি একটি প্রিন্ট করা কোড স্ক্যান করেন আর ইন্টারনেটের মাধ্যমে আপনার ফোন বাজে। দেখুন ওয়াইফাই আর তার ছাড়া ভিডিও ডোরবেল কীভাবে চলে।

কানে কম শুনলে কী করতে পারি?

একাধিক ইন্দ্রিয়ের সাহায্য নিন: আলো জ্বলা স্ট্রোব রিসিভার, ভাইব্রেট করা পোর্টেবল রিসিভার আর ফোনের অ্যালার্ট, কারণ বেশিরভাগ ফোনই ভাইব্রেট করতে পারে আর অনেক ফোন অ্যাক্সেসিবিলিটি সেটিং থেকে স্ক্রিন বা ক্যামেরার ফ্ল্যাশ জ্বালাতে পারে।

শেষ কথা

যাঁরা কলিং বেল শুনতে পান না, তাঁদের বেশিরভাগের নতুন বেল লাগে না; দরকার শুধু রিংটা যেন তাঁদের কাছে পৌঁছায়। ফ্রি পরীক্ষাগুলো দিয়ে শুরু করুন, তারপর বেছে নিন: ফোনে রিং, যেখানে থাকেন সেখানে একটি রিসিভার, নাকি চোখে পড়ে এমন আলো। অনেক বাসার জন্য বুদ্ধিমানের সমন্বয় হলো পুরোনো বেল, ফ্রি ফোন অপশন, আর যেখানে সবচেয়ে বেশি বেল মিস হয় সেখানে একটি রিসিভার।